মলয় রায়চৌধুরী
সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
তুমি, নীলাকাশ
আমার কলকাতা
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
বিষাদ
“বিষাদ”
ঠিক কীভাবে যে বিষাদ প্রকাশ করব ভেবে পাচ্ছি না
বিষাদে ভুগছি, বুঝতে পারছি না অন্ত্যমিল দেবো নাকি
মাত্রা গুনে-গুনে লিখতে লিখতে বিষাদকে আনবো ডেকে
পয়ার হলে ভালো হতো বিনয়ের অতিপ্রিয় মিষ্টি পয়ার
তা কি বিষাদে চলবে ? অক্ষরবৃত্ত নাকি মাত্রাবৃত্ত, কোনটা
বিষাদে খাপ খায় ? তার চেয়ে বিষাদকে পুষে রাখি, কেউ
কবিতা চাইলে, রবীন্দ্রনাথের আলখাল্লা পরিয়ে দিয়ে দেবো !
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০
ভালোবাসো
ভালোবাসো
ভালোবাসো ভালোবাসো ভালোবাসো
আমাকে গভীরভাবে ভালোবাসো
আরও আরও বেশি ভালোবাসো
ভালোবাসো ভালোবাসো ভালোবাসো
কিন্তু স্পর্শ কোরো না কখনও কোনোদিন
স্পর্শ করলেই ভালোবাসা সংসারের আবর্তে পড়ে যাবে
স্পর্শ করলেই প্রেম ফাঁসির রশি হয়ে যাবে
তাই শুধু ভালোবাসো গভীরভাবে ভালোবাসো
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
তুমি, নীলাকাশ, ধরাছোঁয়া থেকে বহুদূর
তোমার শাদা-কালো ফোটোগ্রাফ, টের পাবার আগে, মন্দার পাহাড়ে
লুকিয়ে খাচ্ছিলুম, আঃ, আটকে গেল কন্ঠনভোচরে, নীল বিষ হয়ে ;
আমার দুই পা ধরে অসুরেরা আর দুই হাত ধরে দেবতারা, কালসাপ ভেবে
মন্হন করতে লাগলো অমৃতের লোভে ; জানতো না ওরা, তুমি আছো
আমার কন্ঠস্বরে অক্ষরে অভিধা ব্যকরণে নীলকূট হয়ে প্রিয়তমা
তুমি তো নীলাকাশ তুমি তো ধরাছোঁয়া থেকে বহুদূর কবিতামানুষী
শাশ্বত চাউনিতে, অসহ্য যন্ত্রণায় ক্ষুধার্তের গ্রাসনালিকায়, আঃ,
দেখেছো তো দু’পক্ষই আতঙ্কিত এমনকী মূর্ছিত আমার মারণঘূর্ণনে,
তোমার শাদা-কালো ফোটোগ্রাফ, অষ্টাদশী, চুরি করে খেয়েছি যে--
পুরোটা ব্রহ্মাণ্ড, তীর্যক তাকিয়ে আছো, উদ্গীরণ নিতে ঠোঁট খোলো
আমার হাঁ-মুখে জিভ রেখে দ্যাখো সিংহাসনে তুমি বিশ্বরূপা
স্বাদ নাও বিষরসে ভেজা অক্ষর শব্দশ্বাস ব্যকরণ পিচ্ছিল আলো, আঃ
কন্ঠনালিতে তুমি শাদা-কালো ফোটোগ্রাফ আটক থাকবে চিরকাল





