মলয় রায়চৌধুরী
শুক্রবার, ২৩ জুন, ২০১৭
বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০১৭
বুড়ি
এই বুড়ি আমার দিদিমার বয়সী
চুল পেকে গেছে, কয়েকটা দাঁত
নেই, দিদিমার মতন শুয়ে থাকে--
কবে শেষ হয়ে গেছে পুজো-পাঁজি
ক্যালেণ্ডারে ছবি-আঁকা তিথি
দিদিমার মতো এরও প্রতিরাতে
ঘুম পায় কিন্তু আসে না, স্বপ্নে
কাদের সঙ্গে কথা বলে, হাসে
চোখে ছানি তবু ইলিশের কাঁটা
বেছে ঘণ্টাখানেকে মজে খায়
দিদিমার মতো, বলেছে মরবে
যখন, চুড়ি-নাকছাবি খুলে নিয়ে
পাঠাতে ইনসিনেটরে, এই বুড়ি
চল্লিশ বছর হলো সিঁদুর পরে না
পঞ্চাশ বছর হলো শাঁখাও পরেনি
দামি-দামি শাড়ি বিলিয়ে দিয়েছে
দিদিমা যেমন তপ্ত ইশারায়
দাদুকে টেনে নিয়ে যেতো রোজ
এও আমাকে বলে এবার ঘুমোও
আর রাত জাগা স্বাস্হ্যের পক্ষে
খারাপ, এই বুড়ি যে আমার বউ
বিছানায় শুয়ে বলে, কাউকে নয়
কাউকে দিও না খবর, কারুক্কে নয়--
এ-কথাটা আমারই, কাউকে নয়
কারুক্কে বোলো না মরে গেছি ।
চুল পেকে গেছে, কয়েকটা দাঁত
নেই, দিদিমার মতন শুয়ে থাকে--
কবে শেষ হয়ে গেছে পুজো-পাঁজি
ক্যালেণ্ডারে ছবি-আঁকা তিথি
দিদিমার মতো এরও প্রতিরাতে
ঘুম পায় কিন্তু আসে না, স্বপ্নে
কাদের সঙ্গে কথা বলে, হাসে
চোখে ছানি তবু ইলিশের কাঁটা
বেছে ঘণ্টাখানেকে মজে খায়
দিদিমার মতো, বলেছে মরবে
যখন, চুড়ি-নাকছাবি খুলে নিয়ে
পাঠাতে ইনসিনেটরে, এই বুড়ি
চল্লিশ বছর হলো সিঁদুর পরে না
পঞ্চাশ বছর হলো শাঁখাও পরেনি
দামি-দামি শাড়ি বিলিয়ে দিয়েছে
দিদিমা যেমন তপ্ত ইশারায়
দাদুকে টেনে নিয়ে যেতো রোজ
এও আমাকে বলে এবার ঘুমোও
আর রাত জাগা স্বাস্হ্যের পক্ষে
খারাপ, এই বুড়ি যে আমার বউ
বিছানায় শুয়ে বলে, কাউকে নয়
কাউকে দিও না খবর, কারুক্কে নয়--
এ-কথাটা আমারই, কাউকে নয়
কারুক্কে বোলো না মরে গেছি ।
বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭
কলকাতার স্ট্যাচু
ওরে, তোরা কি জানিস
মোড়ের মূর্তির বদলে ওর মাথায়-বসা গোলা-পায়রাটার খ্যাতি কেন বেশি ?
স্ট্যাচুটাতো ছিল মরার আগের দিন ব্যাপটাইজ করা কলকেতিয়া কাঙাল
উপমা দিতে হলে বলতে হয় উনি ছিলেন অতুলনীয় একজন ফক্কা
ওড়ার অভ্যাস ভুলে আলো-নাচুনি মাদি ঝিঁঝির ফুররি
ওরে, তোরা কি জানিস
বিলিতি সায়েবের নাম-মোছা কবরফলক ফিরে এসচে শিল-নোড়া হয়ে
দাদু-দিদা প্রজন্মের সেসব ভুতুড়ে ব্যথা-বেদনা যখন মশলা বাটায় মেশে
মৌজমস্তির দিলদার ছকেতে সেসব শিহরণ মাইরি বলবার নয়
যখন কিনা মৌমাছির পাখনার হাওয়া ছাড়া ফুলের বুকের জ্বালা কমে না
ওরে, তোরা কি জানিস
বিশৃঙ্খলায় ঘাপটি মেরে যেসব নিহিতার্থ হরবখত ভোল পালটায়
তাদের মৃত্যু তো একরকম কৌমার্য যা ছিল আমার ছেলেবেলায়
যখন জনগণের জিভে জমানো তিতিবিরক্ত ফিসফিসানিগুলো
পেঁকো পথের দু'ধারে অশথগাছে কচিমেরুন পাতার ঢঙে বেরিয়ে পড়েছিল
ওরে, তোরা কি জানিস
প্র্রভূ সেজে মানুষের হাঁটার কায়দা কেন নাগরিকের থেকে আলাদা হয় ?
আসলে মেঘের কানায়-কানায় কালচে-কালো ভাষা নিয়ে মারকাটারি আলো
ফোঁপরা ছায়ার টুপি পরিয়ে ওকে হিরোগিরিতে এমন বুঁদ করে
যিন নিষ্কলুষ নোংরামির জোয়ার বেচবার একচেটে মালিকানা পেয়েছে
মোড়ের মূর্তির বদলে ওর মাথায়-বসা গোলা-পায়রাটার খ্যাতি কেন বেশি ?
স্ট্যাচুটাতো ছিল মরার আগের দিন ব্যাপটাইজ করা কলকেতিয়া কাঙাল
উপমা দিতে হলে বলতে হয় উনি ছিলেন অতুলনীয় একজন ফক্কা
ওড়ার অভ্যাস ভুলে আলো-নাচুনি মাদি ঝিঁঝির ফুররি
ওরে, তোরা কি জানিস
বিলিতি সায়েবের নাম-মোছা কবরফলক ফিরে এসচে শিল-নোড়া হয়ে
দাদু-দিদা প্রজন্মের সেসব ভুতুড়ে ব্যথা-বেদনা যখন মশলা বাটায় মেশে
মৌজমস্তির দিলদার ছকেতে সেসব শিহরণ মাইরি বলবার নয়
যখন কিনা মৌমাছির পাখনার হাওয়া ছাড়া ফুলের বুকের জ্বালা কমে না
ওরে, তোরা কি জানিস
বিশৃঙ্খলায় ঘাপটি মেরে যেসব নিহিতার্থ হরবখত ভোল পালটায়
তাদের মৃত্যু তো একরকম কৌমার্য যা ছিল আমার ছেলেবেলায়
যখন জনগণের জিভে জমানো তিতিবিরক্ত ফিসফিসানিগুলো
পেঁকো পথের দু'ধারে অশথগাছে কচিমেরুন পাতার ঢঙে বেরিয়ে পড়েছিল
ওরে, তোরা কি জানিস
প্র্রভূ সেজে মানুষের হাঁটার কায়দা কেন নাগরিকের থেকে আলাদা হয় ?
আসলে মেঘের কানায়-কানায় কালচে-কালো ভাষা নিয়ে মারকাটারি আলো
ফোঁপরা ছায়ার টুপি পরিয়ে ওকে হিরোগিরিতে এমন বুঁদ করে
যিন নিষ্কলুষ নোংরামির জোয়ার বেচবার একচেটে মালিকানা পেয়েছে
সোমবার, ২ জানুয়ারি, ২০১৭
ঘাস
ঘাস হয়ে জন্মেছি আমি, একজন কচি
যুবতীর দু'পায়ের মাঝে, ঘিরে আছি তার
গোপন গন্ধমাদনের ঝর্ণা, বিগত অস্তিত্বে
ঘাসই ছিলুম, আমার সবুজ রক্ত পান করে
জেব্রা মহিষ ভেড়া ছাগলেরা রক্তকে লাল
করে নিতে পেরেছিল, আমিষলোভী
এই যুবতীর রক্তে এখন মিশেছি, তাই
তার দু'পায়ের মাঝে কোঁকড়া কৃষ্ণ ঘাস
হয়ে ক্রমে জন্মালুম, আমি তোতলাবো
প্রজাপতি-ডানার গরম উড়ালে
তখন শীতল আগুনে দাউ-দাউ পুড়ে
ঠাণ্ডা হবো, মহাগ্রন্হের মলাট দুই পাশে
যার জন্য ট্রয়ের লঙ্কার যুদ্ধ, কতো গল্প
রয়েছে ঘাসের পৃথিবীতে, অতল গহ্বরে
তৃষ্ণার্ত খেলার সঙ্গী হই আমি, দুপুরে
সন্ধ্যায় রাতে তাতাই একাকীত্ব দিয়ে
প্রতি মাসে একবার ডিমের পোচ খাই
কখনও বা আঙুলের বদলে অন্যকিছু
আমাকে লুকিয়ে করা অসম্ভব, জানে
তাই মাঝে-মাঝে সেফটি-রেজর কাঁচি
ঘাসনাশক দিয়ে আমাকে লোপাট করে
আমিও নাছোড় প্রেমিক, মাথাচাড়া দিই
ঘাসের সঙ্গে কারো পেরে ওঠা অসম্ভব
সারা বিশ্ব জুড়ে আমাদের ভূরাজত্ব
মরি না কখনও আমরা, কৃষ্ণ বা
সবুজ ঘাসেরা, আমরা মহীরুহ নই
মনে হয় শুকিয়ে গিয়েছি, আসলে জিরোই
খেলতে সাহায্য করি বাঁচতে খোরাকি
ঢেউ তুলব ঘর্মাক্ত শরীরে, একদা
সবুজ ঘাস আমি, নবজন্মে আজ
প্রহেলিকা ইশারার ফাঁদ পেতে আছি
জানি কোনো সৎ-কাপুরুষ আসবে
তার বাড়তি বীজ ফেলার জন্য রাতে
যুবতীর দু'পায়ের মাঝে, ঘিরে আছি তার
গোপন গন্ধমাদনের ঝর্ণা, বিগত অস্তিত্বে
ঘাসই ছিলুম, আমার সবুজ রক্ত পান করে
জেব্রা মহিষ ভেড়া ছাগলেরা রক্তকে লাল
করে নিতে পেরেছিল, আমিষলোভী
এই যুবতীর রক্তে এখন মিশেছি, তাই
তার দু'পায়ের মাঝে কোঁকড়া কৃষ্ণ ঘাস
হয়ে ক্রমে জন্মালুম, আমি তোতলাবো
প্রজাপতি-ডানার গরম উড়ালে
তখন শীতল আগুনে দাউ-দাউ পুড়ে
ঠাণ্ডা হবো, মহাগ্রন্হের মলাট দুই পাশে
যার জন্য ট্রয়ের লঙ্কার যুদ্ধ, কতো গল্প
রয়েছে ঘাসের পৃথিবীতে, অতল গহ্বরে
তৃষ্ণার্ত খেলার সঙ্গী হই আমি, দুপুরে
সন্ধ্যায় রাতে তাতাই একাকীত্ব দিয়ে
প্রতি মাসে একবার ডিমের পোচ খাই
কখনও বা আঙুলের বদলে অন্যকিছু
আমাকে লুকিয়ে করা অসম্ভব, জানে
তাই মাঝে-মাঝে সেফটি-রেজর কাঁচি
ঘাসনাশক দিয়ে আমাকে লোপাট করে
আমিও নাছোড় প্রেমিক, মাথাচাড়া দিই
ঘাসের সঙ্গে কারো পেরে ওঠা অসম্ভব
সারা বিশ্ব জুড়ে আমাদের ভূরাজত্ব
মরি না কখনও আমরা, কৃষ্ণ বা
সবুজ ঘাসেরা, আমরা মহীরুহ নই
মনে হয় শুকিয়ে গিয়েছি, আসলে জিরোই
খেলতে সাহায্য করি বাঁচতে খোরাকি
ঢেউ তুলব ঘর্মাক্ত শরীরে, একদা
সবুজ ঘাস আমি, নবজন্মে আজ
প্রহেলিকা ইশারার ফাঁদ পেতে আছি
জানি কোনো সৎ-কাপুরুষ আসবে
তার বাড়তি বীজ ফেলার জন্য রাতে
বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬
বজ্জাতির জন্য প্রেমের কবিতা
রক্ত তৈরি হচ্ছে তোর দেহে
শুনতে মাই মিহিন আওয়াজ
সাহিত্যিক ক্রিমিনাল আমি
ইচ্ছামতো শব্দদের ভাঙি
প্রথম চুমুর স্মৃতি আছে
প্রজাপতি উড়েছিল পেটে
কার শবে সুগন্ধ ছিল বল
র্যাঁবো না রবিঠাকুরের
যতো শিগ্গিরি পারি মানেদের
মুছে ফেলে অন্য মানে দিই
ব্যকরণ এমন শয়তান
অথচ মূর্ছা যায় আমি ছুঁলে
ব্যাখ্যাদের তুলে নিয়ে গিয়ে
ধাপার জঞ্জালে ফেলে দিই
মর্ত্য যে যক্ষ্মায় ভুগছে
পালাবার পথ বাকি নেই
শৈষ্ঠ দুঃস্বপ্ন সুসৃজন
কবিতা খোঁচাতে জানে ডোম
ক্যালেণ্ডারে কবে ঢুকবে ভেবে
মধ্যবিত্ত হিমশিম খাক
পয়লা জানুয়ারি থেকে বৈশাখ
জন্মমৃত্যুর মাঝে ডুবে
মজার ব্যাপার হলো এই
আমরা মানুষ এখনও
হায় নরহত্যার অভিলাষ
সকলে মেটাতে পারে কই
এরা বলে আমি ফেরাউন
ওরা ডাকে আমি মালাউন
আমার নির্দিষ্ট বাড়ি নেই
শহর থেকে শহরে বেড়াই
রক্ত তোর তৈরি হচ্ছে দেহে
তাতে শ্রম পুরোটা আমার
শুনতে মাই মিহিন আওয়াজ
সাহিত্যিক ক্রিমিনাল আমি
ইচ্ছামতো শব্দদের ভাঙি
প্রথম চুমুর স্মৃতি আছে
প্রজাপতি উড়েছিল পেটে
কার শবে সুগন্ধ ছিল বল
র্যাঁবো না রবিঠাকুরের
যতো শিগ্গিরি পারি মানেদের
মুছে ফেলে অন্য মানে দিই
ব্যকরণ এমন শয়তান
অথচ মূর্ছা যায় আমি ছুঁলে
ব্যাখ্যাদের তুলে নিয়ে গিয়ে
ধাপার জঞ্জালে ফেলে দিই
মর্ত্য যে যক্ষ্মায় ভুগছে
পালাবার পথ বাকি নেই
শৈষ্ঠ দুঃস্বপ্ন সুসৃজন
কবিতা খোঁচাতে জানে ডোম
ক্যালেণ্ডারে কবে ঢুকবে ভেবে
মধ্যবিত্ত হিমশিম খাক
পয়লা জানুয়ারি থেকে বৈশাখ
জন্মমৃত্যুর মাঝে ডুবে
মজার ব্যাপার হলো এই
আমরা মানুষ এখনও
হায় নরহত্যার অভিলাষ
সকলে মেটাতে পারে কই
এরা বলে আমি ফেরাউন
ওরা ডাকে আমি মালাউন
আমার নির্দিষ্ট বাড়ি নেই
শহর থেকে শহরে বেড়াই
রক্ত তোর তৈরি হচ্ছে দেহে
তাতে শ্রম পুরোটা আমার
সোমবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৬
ন্যাংটো তন্বীর জন্য প্রেমের কবিতা
কুচকুচে চকচকে পুংঘোড়ায় বসে আছো ন্যাংটো তন্বী
তোমার কুলকুচি-সুধা খেয়ে পৃথিবীর নেশা ধরে গেছে
তার ফল এদান্তি ফলছে রসেবশে ধোঁয়ায় কান্নায়
চুলেতে রঙিন-ফুল গুঁজেছিলে বিপ্লবী শতকে
তাই থেকে শুরু হলো দেংজিয়াও পিঙ্গের বিড়ালের রঙ
মারামারি ঠোকাঠুকি শেষে সেই টাকমাথা পুরুষ ময়না
মাওবাদী বনপ্রান্তে কুঞ্জমাঝে খসখসে হেঁকে গায়
চুলে গিঁট পড়ে গেলে কোনো চিন্তা নেই
স্বর্গ-নরক-মর্ত্য সর্বত্র চিরুনি আছে
চিরুনি-তল্লাশ আছে, এক পা সামনে আর দুই পা পেছনে
সেই গ্রেট লাফ দিয়ে সামনে আঁৎকে দেখলে চারিদিকে রক্ত কেবল
শুধু তোরা দুচোখের পাতা রাংঝালে জুড়ে চলে যাস
সাংস্কৃতিক বিপ্লবে আনন্দিত লোকগুলো আজ বুড়ো-বুড়ি
অবশ্য অনেকে দুর্ভিক্ষে মরে গেছে, মাটির তলায় হাড়
শেষে কিনা বিপ্লবের জায়গায় প্রতিবিপ্লব !
কুচকুচে চকচকে পুংঘোড়া হাঁকিয়ে ন্যাংটো তন্বী তুমি
দুর্বিপাক ডেকে আনলে ঝুলে-পড়া গোলার্ধ দুটোয়
জুজুবুড়ি জুজুবুড়ো খোকোন খুকুরানি তটস্হ সক্কলে...
তোমার কুলকুচি-সুধা খেয়ে পৃথিবীর নেশা ধরে গেছে
তার ফল এদান্তি ফলছে রসেবশে ধোঁয়ায় কান্নায়
চুলেতে রঙিন-ফুল গুঁজেছিলে বিপ্লবী শতকে
তাই থেকে শুরু হলো দেংজিয়াও পিঙ্গের বিড়ালের রঙ
মারামারি ঠোকাঠুকি শেষে সেই টাকমাথা পুরুষ ময়না
মাওবাদী বনপ্রান্তে কুঞ্জমাঝে খসখসে হেঁকে গায়
চুলে গিঁট পড়ে গেলে কোনো চিন্তা নেই
স্বর্গ-নরক-মর্ত্য সর্বত্র চিরুনি আছে
চিরুনি-তল্লাশ আছে, এক পা সামনে আর দুই পা পেছনে
সেই গ্রেট লাফ দিয়ে সামনে আঁৎকে দেখলে চারিদিকে রক্ত কেবল
শুধু তোরা দুচোখের পাতা রাংঝালে জুড়ে চলে যাস
সাংস্কৃতিক বিপ্লবে আনন্দিত লোকগুলো আজ বুড়ো-বুড়ি
অবশ্য অনেকে দুর্ভিক্ষে মরে গেছে, মাটির তলায় হাড়
শেষে কিনা বিপ্লবের জায়গায় প্রতিবিপ্লব !
কুচকুচে চকচকে পুংঘোড়া হাঁকিয়ে ন্যাংটো তন্বী তুমি
দুর্বিপাক ডেকে আনলে ঝুলে-পড়া গোলার্ধ দুটোয়
জুজুবুড়ি জুজুবুড়ো খোকোন খুকুরানি তটস্হ সক্কলে...
লেবেলসমূহ:
রাজনৈতিক কবিতা,
Neo Noir Poem
মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬
কঙ্কালের দেশের জন্য প্রেমের কবিতা
ভেঙে-ভেঙে পড়ছে শহরের রাস্তায় পথে গলিতে ঝুরোঝুরো কঙ্কাল
অপেক্ষা করছি তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার আমার সঙ্গে নাচবে
আমি তাদের মাংস-মজ্জা-রক্ত-চামড়া খেয়ে কঙ্কালের নান্দনিকতা দিয়েছি
সাপের ফণা দিয়ে দেশের ইতিহাস লেখার পর এই কঙ্কালগুলোকে
তাদের চেহারা ফিরিয়ে দেবো কিন্তু কোনোটাই মানুষের কঙ্কাল হয়ে উঠবে না
বহুকাল আগে মানুষরা থাকতো এই দেশে তারাই এখন জানোয়ারের কঙ্কাল
সবাই চাইছে তাদের শুকতারায় নিয়ে গিয়ে দাহ করা হোক
শিস দিই ছুটে আসে রক্তমাখা বাদামি নেকড়ের দল
সাপেদের মুখ থেকে গলগল করে কুচকুচে রক্ত বেরোয়
সাপেদের দাঁত থেকে ফিনকি দিয়ে নীল বিষ ছিটকে ভেজায় কঙ্কালদের
আমি বিষ খাই বিষ খাই বিষ খাই দীর্ঘ হয়ে উঠি
আকাশে মাথা ধাক্কা খেলে বুঝতে পারি উড়ছে অন্ধ পেঁচারা
আমার চোখ লক্ষ্য করে কঙ্কালরা হাড়ের স্লোগান আওড়ায়
চারিদিকে মানুষীদের জরায়ু পড়ে আছে বিষে নীল
নেকড়েরা তবুও জরায়ু টানাটানি করে চলেছে
আমি দীর্ঘ হতে থাকি দীর্ঘ হতে থাকি দীর্ঘ হতে থাকি
বিষ আমাকে এতো ক্ষমতা দেবে তা তোমরা জানতে না
তোমরা মানুষ ছিলে এককালে এখন জানোয়ারের কঙ্কাল হয়ে গেছো
অপেক্ষা করছি তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার আমার সঙ্গে নাচবে
আমি তাদের মাংস-মজ্জা-রক্ত-চামড়া খেয়ে কঙ্কালের নান্দনিকতা দিয়েছি
সাপের ফণা দিয়ে দেশের ইতিহাস লেখার পর এই কঙ্কালগুলোকে
তাদের চেহারা ফিরিয়ে দেবো কিন্তু কোনোটাই মানুষের কঙ্কাল হয়ে উঠবে না
বহুকাল আগে মানুষরা থাকতো এই দেশে তারাই এখন জানোয়ারের কঙ্কাল
সবাই চাইছে তাদের শুকতারায় নিয়ে গিয়ে দাহ করা হোক
শিস দিই ছুটে আসে রক্তমাখা বাদামি নেকড়ের দল
সাপেদের মুখ থেকে গলগল করে কুচকুচে রক্ত বেরোয়
সাপেদের দাঁত থেকে ফিনকি দিয়ে নীল বিষ ছিটকে ভেজায় কঙ্কালদের
আমি বিষ খাই বিষ খাই বিষ খাই দীর্ঘ হয়ে উঠি
আকাশে মাথা ধাক্কা খেলে বুঝতে পারি উড়ছে অন্ধ পেঁচারা
আমার চোখ লক্ষ্য করে কঙ্কালরা হাড়ের স্লোগান আওড়ায়
চারিদিকে মানুষীদের জরায়ু পড়ে আছে বিষে নীল
নেকড়েরা তবুও জরায়ু টানাটানি করে চলেছে
আমি দীর্ঘ হতে থাকি দীর্ঘ হতে থাকি দীর্ঘ হতে থাকি
বিষ আমাকে এতো ক্ষমতা দেবে তা তোমরা জানতে না
তোমরা মানুষ ছিলে এককালে এখন জানোয়ারের কঙ্কাল হয়ে গেছো
লেবেলসমূহ:
খনন পত্রিকার মে ২০১৬ সংখ্যায় প্রকাশিত,
Neo Noir Poem
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)
